১৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল: দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সংবাদ সম্মেলন

১ দিন আগে
‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ১৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করায় আইনানুগ পদক্ষেপ ও মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন প্রার্থী ও আইনজীবীরা।

বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মো. একরামুল আমিন-ইয়ামিন আহমেদ প্যানেলের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ তুলে ধরেন স্বতন্ত্র সভাপতি পদপ্রার্থী মো. লিয়াকত আলী।


নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তিনি বলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির ১৪৩২ বঙ্গাব্দের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন আগামী ৫ এপ্রিল।


নির্বাচনের আগে ২৯ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার সমিতির সংবিধান লঙ্ঘন করে ফ্যাসিবাদের দোসর দেখিয়ে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। এদিন আইনজীবী ভবনে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল নিয়ে দুপক্ষের হাতাহাতি হয়। এক সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ উপদেষ্টা মাহফুজের


নির্বাচনের তফসিল অনুসারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মো. লিয়াকত আলী, মো. একরামুল আমিন, মো. নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল জব্বার, ইয়ামিন আহমেদ, রনি চন্দ্র রায়, মো. কামরুল হাসান (ফিদেল), ইন্দ্রোজিৎ কুমার রায় (অনিক), সৈয়দ মোসাব্বির হোসেন উচ্ছ্বাস, মো. দেলোয়ার হোসেন, সৌরভ রায়, শাহাজাদ এ কিউ খান, তছলিমা আকতার (তাজ) ভোটার হয়েছেন। এতে কোনো সদস্য আপত্তি উত্থাপন না করায় সমিতির সংবিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নাম প্রকাশিত উপরোক্ত ১৩ জনের প্রত্যেকেই একজন ভোটার হিসেবে প্রার্থিতার উপযুক্ত হন।


সমিতির সংবিধান (অনুচ্ছেদ:১৭) অনুযায়ী শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে কারো সদস্যপদ বাতিল হবে না বলে এই আইনজীবী উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আইনি তোয়াক্কা না করে ১৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।


আরও পড়ুন: নির্বাচন চাইলেই কিছু উপদেষ্টার গায়ে জ্বালা শুরু হয়: আমিনুল হক


প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যক্রম ও মনোনয়নপত্র বাছাই ও বৈধতা প্রদানের ক্ষেত্রে উক্ত বিভ্রান্তিমূলক সিদ্ধান্তটি অবৈধ, বেআইনি, সমিতির সংবিধানবিরোধী বলে অভিযোগ করেন এই আইনজীবী।


সম্পূর্ণ অবৈধ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী সব ধারাবাহিকতা প্রত্যাখ্যান করে দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ভোটার আইনজীবীগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান তিনি; সেইসঙ্গে জেলা আইনজীবী সমিতির ১৪৩২ বঙ্গাব্দের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের ৫৭৯ জন ভোটারের ভোটাধিকার স্বেচ্ছাচারীভাবে হরণ করায় সমিতির সংবিধান লঙ্ঘনকারী ও ভোটারদের ভোটাধিকার হরণকারী দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি চান এই সভাপতি প্রার্থী।


সংবাদ সম্মেলনে মো. একরামুল আমিন-ইয়ামিন আহমেদ প্যানেলের ১৩ জনসহ অর্ধশতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন