পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরে সৌদি আরবে অবস্থানরত তার ভগ্নিপতি নাজমুল ইসলাম আল আমিনের পরিচয় শনাক্ত করেন। তিনি বিষয়টি বাংলাদেশে পরিবারকে জানান।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাফেজ আল আমিন জিজানের একটি মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি খাবার সরবরাহের কাজ করতেন। ঘটনার দিন তারাবির নামাজ শেষ করে ডেলিভারির জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের উদ্যোগে ৫ লাখ রিয়ালের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট
নিহতের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে, বিশেষ করে চোখ ও বুকের অংশে। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সৌদি পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে এখনো হত্যার কারণ কিংবা কারা জড়িত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় ছয় ওমরাযাত্রী নিহত
নিহত হাফেজ আল আমিনের পরিবার তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশি দূতাবাসও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
]]>