সরকারি খাদ্যগুদাম ঘেঁষে জলাবদ্ধতায় পণ্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা

২ সপ্তাহ আগে
কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর সরকারি খাদ্যগুদাম ঘেঁষে বছরজুড়ে জলাবদ্ধতা থাকে। সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বাসাবাড়ির বর্জ্য পানি এ এলাকা দিয়ে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা এখানকার নিত্যদিনের সঙ্গী। ফলে মালামাল ওঠানামা নিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন শ্রমিক ও ট্রাক চালকরা। এছাড়া দেখা দিয়েছে মজুতকৃত পণ্যের গুনগত মান নষ্ট হওয়ার শঙ্কাও।

যে কোনো মানুষ এ সড়কে পানি দেখলে মনে করবে যেন বর্ষাকাল। ঋতুর পরিবর্তন হলেও পাল্টায় না চিত্র। সারা বছর জলাবদ্ধতার এমন দৃশ্যের দেখা মিলবে কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর সরকারি খাদ্যগুদামে। জলাবদ্ধতার কারণে মালামাল ওঠানামা নিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শ্রমিক ও ট্রাক চালকরা।


খাদ্যগুদামের একপাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন ও অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের ড্রেন উঁচু হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। আর তা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি খাদ্য বিভাগের ঠিকাদারদের।

আরও পড়ুন: আ.লীগকে পুনর্বাসনে কিছু রাজনৈতিক দল কূটনীতিতে যুক্ত হচ্ছে: হাসনাত

খাদ্য বিভাগের তথ্যমতে, জলাবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে গঠিত ৬ সদস্যের কমিটি ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল ১০টি সুপারিশ করা হয়। কিন্তু প্রতিবেদন দাখিলের প্রায় ৩ বছর অতিবাহিত হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।


জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে অল্পসময়ে পণ্যের গুনগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে দায়ী করেছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। আর জলাবদ্ধতা নিরসনে দুই বছর আগে জাইকার একটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী। 


তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে তা বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে জলাবদ্ধতা আর থাকবে না। ধর্মপুরে এই খাদ্য গুদামে খাদ্য মজুতের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে সাড়ে ৬ হাজার টন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন