ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই দু’পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি মস্কোকে প্রস্তাব দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। তবে মার্কিন প্রস্তাব অগ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
রুশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে নিলেও তা রাশিয়ার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, যে কারণে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই বিষয়গুলো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে নেই।
ইউক্রেনকেও সমঝোতায় আনতে বেগ পেতে হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, বিরল খনিজ সম্পদ সংক্রান্ত চুক্তি থেকে সরে আসতে চাইছেন জেলেনস্কি। চুক্তি না হলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে বড় সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ /পুতিনকে ‘শিক্ষা দিতে’ ভারতকে নিশানা ট্রাম্পের?
তবে কিয়েভের অভিযোগ, প্রাথমিক পর্যায়ে চুক্তির যে শর্ত দেয়া হয়েছিল সেগুলোর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। আর তাই চুক্তির পুরো বিষয়টি আবারও পর্যালোচনা করবে তারা।
এদিকে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফের আহ্বান জানিয়েছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিয়েভ সফররত জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। বলেন, চুক্তি লঙ্ঘন করে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ সেনারা।
জেলেনস্কি আরও জানান, কিয়েভ শান্তিচুক্তির বিনিময়ে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি হলে তা পর্যবেক্ষণে মিত্র অনেক দেশই ইউক্রেনে বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে আগ্রহী বলেও দাবি তার।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নামল উত্তর কোরিয়ার আরও ৩ হাজার সেনা!
অন্যদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া-ইউক্রেন। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে আরও দেড় লাখের বেশি সেনা নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
]]>