রাজধানীতে একদিনেই কিশোরীসহ ৫ জনকে ধর্ষণের অভিযোগ

২ সপ্তাহ আগে
রাজধানীতে খিলগাঁও, হাতিরঝিল ও মুগদা থানা এলাকায় পৃথক ঘটনা ৪ কিশোরীসহ ৫ জনকে ধর্ষণের অভিযোগে আলাদা ভাবে থানায় মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।


ওসিসির সমন্বয়ক ডা. সাবিনা ইয়াসমিন জানান, পুলিশ তাদেরকে ওসিসিতে নিয়ে এসে ভর্তি করায়। তাদের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।


খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস মাহমুদ জানান, বেশ কয়েকদিন আগে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণ করা হয়। এ রকম অভিযোগে গতকাল পরিবারের তরফ থেকে একটা মামলা করা হয়। এই মামলার পরিপেক্ষিতে গতকাল  ওই কিশোরীকে খিলগাঁও ত্রিমোহনী এলাকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। আর মামলার আসামি অভিযুক্ত আলিফকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আরও পড়ুন: বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর


এদিকে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু জানান, গতকালকে ২২ বছর বয়সী এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগে থানায় একটি মামলা করেন। সে মামলায় আসামিকে ধরার জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। অভিযুক্ত যুবক ওই তরুণীর পূর্বপরিচিত। বিয়ের আশ্বাসে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন জানান, পৃথক ১২ ও ১৩ বছর বয়সী দুই কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় আলাদা মামলা হয়েছে। ১২ বছর বয়সী কিশোরীকে বুধবার (১৯ মার্চ) ইফতারের পরে জব্বার (৪০) নামে এক ব্যক্তি ভিকটিমের বাসায় তাকে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর ১৩ বছরের কিশোরীকে গত ১৮ মার্চ বাসার ছাদে পিন্টু চন্দ্র দাস (২৮) নামে এক যুবক ধর্ষণ করে বলে উল্লেখ করা হয় এজাহারে।


এদিকে মুগদা থানার আরেক উপপরিদর্শক (এসআই) তৌহিদুল ইসলাম জানান, গত ১৮ মার্চ ১৫ বছর বয়সীর এক কিশোরী নিজ বাসায় ধর্ষণের শিকার হয়। এই ঘটনায় মামলার পর সিয়াম আহমেদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন