জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার পূর্ব শাহাজাদপুর গ্রামের অটোরিকশা চালকের মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে ২০২২ সালের ১০ মার্চ ধর্ষণ করে একই উপজেলার সাধুপুর কান্দাপাড়া গ্রামের খোকার ছেলে বখাটে তামিম আহাম্মেদ স্বপন। এ ঘটনার পর মেয়েটি বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা লাগিয়ে চিরকুট লিখে বাঁশের আঁড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ ঘটনায় পরদিন ১১ মার্চ মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে তামিম আহাম্মদ স্বপনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে ৫ জনকে ধর্ষণের ঘটনায় পৃথক মামলা
মামলা দায়ের পর পরই ১২ মার্চ জামালপুর RAB- ১৪ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে তামিম আহাম্মদ স্বপনকে আটক করে। পরে তাকে মেলান্দহ থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।
মামলার বাদী বলেন, ‘আমার একমাত্র মেয়ের হত্যাকারী স্বপন গত ২৯ জানুযারি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে এসেছে। সে এলাকায় এসে আমাকে মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। না হলে আমার স্ত্রীকেও ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে। আমি নিজেও যে কোনো সময় স্বপনের হাতে জীবন দিতে পারি। আমার মেয়েটা অনেক মেধাবী ছাত্রী ছিল। আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’
আরও পড়ুন: বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম সম্রাট বলেন, ২০২২ সালে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের পর আসামি দীর্ঘ সময় জেলে ছিল। কিছুদিন আগে সে জেল থেকে জামিনে বেরিয়েছে। শুনতে পারছি, সে জামিনে এসে বাদীকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করছি পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’