বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অফ ভার্জিনিয়া কোর্টের বিচারক প্যাট্রিসিয়া টলিভার গাইলস তার তিন অনুচ্ছেদের নির্দেশনামায় জানিয়েছেন, আদালত পরবর্তী নির্দেশ না-দেয়া পর্যন্ত ওই গবেষককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত করা যাবে না।
ভারতীয় ওই গবেষকের নাম বদর খান সুরি। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পাশাপাশি সেখানকার ছাত্রদের পড়ান তিনি।
ইসরাইলের গাজা যুদ্ধের সমালোচনা করায় যুক্তরাষ্ট্রে যে ধরপাকড় চলছে তারই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (১৭ মার্চ) রাতে ভার্জিনিয়ায় নিজের বাড়ির বাইরে থেকে সুরিকে গ্রেফতার করা হয়। জানানো হয়, তার ভিসা বাতিল করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগ বাতিলে নির্বাহী আদেশে সই ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিয়োরিটি দফতর (ডিএইচএস) জানায়, ওই গবেষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের পক্ষে কথা বলেছেন। সুরির বিরুদ্ধে ইহুদি-বিরোধী মন্তব্য করারও অভিযোগ ওঠে।
সুরির বিরুদ্ধে মার্কিন অভিবাসন আইনের খুব কম ব্যবহৃত একটি ধারা ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসন। এই ধারা অনুযায়ী, যে সব অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ক্ষতিকর’, তাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করতে পারে পররাষ্ট্র দফতর।
সুরির ভিসা প্রত্যাহারে সম্মতি রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ভারতীয় গবেষকের কার্যকলাপই তাকে ‘বহিষ্কারের যোগ্য’ করে তুলেছে। তাই শিগগিরই তাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন: গাজায় ইসরাইলি হামলায় ট্রাম্পের ‘পূর্ণ সমর্থন’!
তবে সুরির আইনজীবী বলেন, ‘জন্মসূত্রে সুরির মার্কিন স্ত্রীর ফিলিস্তিন-যোগ রয়েছে। সে কারণেই তাকে নিশানা করা হচ্ছে।’
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
]]>