শিলংয়ে গ্রীষ্মকালেও হাড় কাঁপানো শীত। তীব্র শীতের মাঝে বারবার অনুশীলনের সময় পরিবর্তন। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন যে করেই হোক দমিয়ে রাখতে চায় বাংলার দামাল ছেলেদের। বারবার ভেন্যু পরিবর্তনে বিরক্ত ফুটবলাররা। কঠিন মনোযোগ ধরে রাখা। তবু পেশদার ফুটবলে সব কিছুই মানিয়ে নিতে প্রস্তুত লাল সবুজরা।
গণমাধ্যমকে ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের জন্য অনেক ডিস্টার্বিং। আমাদের সাড়ে ৫টায় অনুশীলন ছিল। সাড়ে ৪টায় মিটিং করে আমরা অনুশীলনের জন্য বের হয়ে কোচের কাছে জানতে পারি অনুশীলন সাড়ে ৭টায়। মনোযোগ আমাদের অনুশীলনে। টাইমিং একটা ফ্যাক্ট, যেটা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমাদের মনোযোগ সব সময় অনুশীলনে থাকে।’
খেলা হবে ঘাসের মাঠে। তবে ফুটবলাদের অনুশীলন করতে হচ্ছে টার্ফে। প্রতিপক্ষকে কাবু করার এ কৌশল ভালোই জানা আছে লাল সবুজের। ইনজুরির ঝুঁকি তাই নেহু ইউনিভার্সিটির গ্রাউন্ডের এবড়ো মাঠের চেয়ে এ ভেন্যুকেই বেছে নিয়েছে বাফুফে। এদিন ট্যাকটিকাল দিকগুলোর উন্নিতে জোর দিয়েছেন কোচিং স্টাফ।
সহকারী কোচ হাসান আল মামুন বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, ভারতে আমাদেরকে এ সমস্যাগুলোতে পড়তে হতে পারে। আমরা খেলোয়াড়দের আগে থেকেই প্রস্তুত রাখছি। আমাদের কে যেকোনো প্রতিকূল অবস্থার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রাকৃতিক ঘাসে অনুশীলনের সুযোগ আমরা পাচ্ছি না। এটা একটা ঘাটতি আমাদের তরফ থেকে। আমরা জানি এটা তাদের কৌশল। তাদের কৌশলকে মোকাবিলা করতে আমাদের অনুশীলন করতে হবে।’
আরও পড়ুন: হামজা উন্মাদনায় মত্ত ভারতীয় সমর্থকরা
খুব অল্প সময়ে দলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন হামজা। মাঝমাঠে তার সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন মোহাস্মদ হৃদয়। লিস্টন কোলাসো, ছেত্রী, ভেকেদের আটকাতে হামজার সঙ্গে লড়াই করতে প্রস্তুত এই ডেফেন্সিভ মিডফিল্ডার।
হৃদয় বলেন, ‘আপনারা জানেন, হামজা ভাই অনেক উপরের লেভেলে ফুটবল খেলেছে। আমরা সবাই চেষ্টা করছি ওনার সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য। যেভাবে মাঠে খেলতে পারলে আমাদের টিমের জন্য ভালো ফলাফল আসবে, সেভাবে অনুশীলন করছি।’
আরও পড়ুন: ক্যাম্পে ফিরছেন বিদ্রোহী ফুটবলাররা, দূর হচ্ছে নারী ফুটবলের সংকট!
২০১৯ এ সল্টলেকে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে সেবার এতোটা বাধার মুখে পড়তে হয়নি। হামজা বলেই হয়তো এবার এতো বাড়াবাড়ি।
]]>