বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের হারুন হাওলাদারের মালিকানাধীন মেসার্স হাওলাদার ব্রিকস এবং দুপুর ১টায় পৌরসভা এলাকার গৌড়িপাশা গ্রামের মেসার্স এস আর ব্রিকস নামের দুটি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় ইট ভাটা দুটির কোনো লাইসেন্স প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় মেসার্স হাওলাদার ব্রিকসকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩(সংশোধিত ২০১৯)এর আওয়তায় ধারা ৫ (১) অমান্য করায় হাওলাদার ব্রিকসকে বিধি অনুযায়ী দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আরও পড়ুন: খুলনায় ইটভাটা বন্ধের প্রতিবাদে মালিক-শ্রমিকদের বিক্ষোভ
এদিকে, এস আর ব্রিকসের সংশ্লিষ্ট সবাই আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের জরিমানা না করে ড্রাম চিমনি ধ্বংস করে ভাটাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। জরিমানার অর্থ নগদ দেয়ায় হাওলাদার ব্রিকসের কারাদণ্ডাদেশ মওকুফ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নলছিটির উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঝালকাঠির সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা,পরিদর্শক মো. আমিনুল হক, উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারী এবং নলছিটি থানা পুলিশের একটি টিম।
আরও পড়ুন: রংপুরে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ইট প্রস্তুতকারী মালিক-শ্রমিকদের
অভিযানে অর্থদণ্ডসহ ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পানি দিয়ে দুটি ইটভাটার কাঁচা ইট বিনষ্ট করা হয়। এছাড়া ড্রাম চিমনি ভেঙে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে দেয়া হয়।