শুক্রবার সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৬১, যা সংবেদনশীল স্বাস্থ্যের মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। ইরাকের বাগদাদ, কুয়েতের কুয়েত শহর ও ভিয়েতনামের হ্যানয় যথাক্রমে ২৯৭, ১৭২ ও ১৪৭ বায়ুমান (একিউআই স্কোর) নিয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্থান দখল করেছে।
বৃহস্পতিবার (১ মে) ঢাকার বাতাস সবার জন্যই অস্বাস্থ্যকর ছিল। এদিন সকাল ১০টার রেকর্ড অনুযায়ী, ১৮৬ বায়ুমান নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছিল ঢাকা।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
আরও পড়ুন: ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
৫টি দূষণের ওপর নির্ভরশীল একিউআই সূচক। সেগুলো হলো- অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন। ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণজনিত সমস্যায় জর্জরিত। এর বায়ুর গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে এবং বর্ষাকালে উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।