এর আগে মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মিরাজ খান পাঁচুরিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভান্ডারিয়া গ্রামের মেহের উল্লাহর ছেলে।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সাধারণ জনগণের অনেকে আহত হন। এ ছাড়া তাদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হয়।
আরও পড়ুন: যুবলীগের সেই মতিন সরকারের ১৩ বছরের কারাদণ্ড
তাদের মারধর এবং আসামিদের ছোড়া গুলিতে আন্দোলনে থাকা জুবাইদা ইসলাম সোহানা, তুষার পাটোয়ারী, সান সরদার, ত্রিয়াশা, আয়েশা, সিনথিয়া, আসমা খাতুন, তাওহিদ রাব্বি, মুন্না, বিল্লাল হোসাইনসহ আরও অনেকে গুলিবিদ্ধ ও আহত হন।
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় গত ২ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার খানখানাপুর বেপারীপাড়ার মো. তারেখ খানের ছেলে মো. জিসান হোসাইন খান বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মিরাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়। আজ সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।