তারকাখচিত ভারতের বিপক্ষে যে কোনো দলেরই পেরে উঠা কঠিন। তার ওপর দুবাইয়ে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। ২৬ বছর আগের নাইরোবির সুখস্মৃতি নিউজিল্যিান্ডের জন্য তাই ফিরিয়ে আনা কঠিন। তারপরও স্বপ্ন দেখছে ব্ল্যাক ক্যাপস। কারণ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাদের বেশ কজনের আছে ম্যাচ উইনিং পারফরম্যান্স।
৭৬ গড় আর দুই শতকে ২২৬ রান করা রাচিন রাবিন্দ্র মূল ভরসা নিউজিল্যান্ডের। মাত্র এক রান কম থাকায় তিনি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ভারতের হয়ে বুড়ো হাড়ের ভেলকি চলছে বিরাট কোহলির। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টিম ইন্ডিয়ার স্বপ্ন বেঁচে আছে তার বদৌলতেই। লিমিটেড ওভারে আইসিসির সম্ভাব্য শেষ টুর্নামেন্ট স্মরণীয় করে রাখতে ফাইনালে সর্বোচ্চটা দেয়ারই চেষ্টা থাকবে তার।
কোহলির মতো একই অবস্থানে কেন উইলিয়ামসন। একটা আইসিসি ট্রফির জন্য এই কিউই কিংবদন্তির আক্ষেপ ঘোঁচানোর শেষ মঞ্চ দুবাই। দল যেমন তাকিয়ে আছে তার দিকে, তিনিও ঠিক তেমনি। ভারতে অবশ্য তারুণ্যের জয়গান। শুভমান গিল, শ্রেয়াশ আইয়ার রীতিমতো উড়ছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। তাদের দিকেই তাকিয়ে আছেন কাপ্তান রোহিত। কারণ এটাই যে তার একদিনের ক্রিকেটে শেষ আইসিসি ইভেন্ট তা প্রায় নিশ্চিত।
আরও পড়ুন: ফাইনালে যেসব মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ কোহলির
রোহিতের মতো একই পথে রাবিন্দ্র জাদেজা। তিনিও অপেক্ষায় বিদায়ের। অক্ষর প্যাটেল, বরুন চক্রবর্তীরা জায়গা নেয়ার জন্য প্রস্তুত। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের আরও একটি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা উজ্জল করেছেন তারা। তবে ভুলে গেলে চলবে না ম্যাট হেনরি মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে উঠতে পারেন টিম ইন্ডিয়ার জন্য। এবারের আসরে তার পরিসংখ্যান বার্তা দিচ্ছে এমন কিছুরই।
গোনায় ধরতে হবে মোহাম্মদ শামিকেও। তার আগুনে বোলিংয়ে বুমরাহর অভাব টের পাচ্ছে না ভারত। ম্যাচ উইনিং পারফরমার আছে দুদলেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে উইকেটে। দুবাইয়ে পেসারদের চেয়ে সুবিধা পাবেন স্পিনাররা। স্লো উইকেটে বাজি ধরার মতো ক্যারেক্টার আছে দুদলেই।