পরিবাবারের অভিযোগ, চুরি করতে এসে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। এদিকে পুলিশ বলছে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা মডেল থানাপুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশ স্থানীয় সূত্র ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আরামবাগ এলাকায় পুরনো তথ্য অফিসের বাসায় আরজান আলীর স্ত্রী মাজেদা বেগম একাই থাকতেন। তার তিন মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে ফারিয়া সুলতানা ইতি ঈদে স্বামী সন্তান নিয়ে ঢাকা থেকে বাসায় আসেন বিকেলে। কিন্তু ফজর থেকে মায়ের ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। পরে বিকেলে পৌঁছে দিতি নামের মেজ বোনকে ভিডিও কল দিয়ে মাকে দেখাতে চান। এসময় ঘরের পেছনের জানালা খোলা ও দরজা ভাঙা দেখে মেজ বোন পুলিশে ফোন দেয়। এদিকে তারা ভেতরে ঢুকে মায়ের মৃতদেহ দেখতে পান।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে রিকশাচালককে হাতুড়িপেটায় হত্যা
এসময় মায়ের কানের দুল ও মোবাইল পায়নি। আলমারির দরজাও খোলা ছিল। তাদের ধারণা চুরি করতেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
এ ব্যাপারে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ওই বাসায় গিয়ে দেখি বিছানায় মরদেহ। নাক দিয়ে ফেনা ছিল। মুখের ওপর ছিল গামছা। প্যাঁচানো পাইনি। এখন বোঝা যাচ্ছে না।’
তবে তারা বলছে মোবাইল ও কানের দুল মিসিং আছে। তদন্ত করে দেখছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।