নিহতরা হলেন: কসবা উপজেলার গুরুহিত গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম ও মো. তারেক।
পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ‘পাহাড়িকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করার পর মোগড়া রেলওয়ে ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের বগির ছাদে কয়েকজন যুবক উঠে দাঁড়িয়ে টিকটক করছিলেন। এ সময় রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া ডিস লাইনের তার পেঁচিয়ে দুজন ট্রেন থেকে পড়ে যান।
আরও পড়ুন: চলন্ত ট্রেনে আগুন, বন্ধ ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় আব্দুল কাইয়ুমকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তারেক ও ইকরামকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করলে পথে তারেকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
আহত অপর যুবকের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসক ডা. সাইফুল ইসলাম জানান, আহতদের মাথায়, গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। অবস্থা গুরুতর বিধায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, যাত্রী রক্তাক্ত
এ বিষয়ে আখাউড়া রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন জানান, ওই যুবকরা ট্রেনের ছাদের ওপর টিকটক করছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে আমরা খবর পেয়েছি। টিকটক করা অবস্থায় কোনো তারের সঙ্গে জড়িয়ে হয়তো তারা ট্রেন থেকে নিচে পড়ে যেতে পারেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে। হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।