‘কথা না শোনায়’ ৫ বছরের মেয়েকে ৪ টুকরো করলেন বাবা!

৪ সপ্তাহ আগে
দিন যত যাচ্ছে, ততই যেন হিংস্র হয়ে উঠছে মানুষ। প্রতিদিনই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সামনে আসছে ধর্ষণ, নারকীয়ভাবে হত্যার একের পর এক খবর। এবার এই তালিকায় যুক্ত হলো আরও এক নৃশংস ঘটনা।

ভারতের উত্তরপ্রদেশে পাঁচ বছরের এক মেয়ে শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং তার দেহ চার টুকরো করা হয়! যিনি অভিযুক্ত তিনি আর কেউ নয়, খোদ শিশুটির বাবা! এদিকে, খুনের কারণ জেনে হতবাক পুলিশও।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, সীতাপুরের বাসিন্দা মোহিত মিশরার (৪০) সঙ্গে তার প্রতিবেশীর ঝামেলা ছিল। কিন্তু তার ৫ বছরের মেয়ে তানিকে তারা খুবই ভালোবাসত। তানিও মাঝেমধ্যে তাদের বাড়িতে যেত। আর এই কারণেই তাকে প্রাণ দিতে হলো! 

 

পুলিশ জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে তাদের কাছে খবর আসে, তানিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তল্লাশি শুরু করার পর শিশুটির দেহাংশর খোঁজ পায় পুলিশ। এরপর একে একে উদ্ধার হয় ৩টি অংশ। স্পষ্ট হয়ে যায়, তাকে হত্যাই করা হয়েছে। কিন্তু কে করল হত্যা, তা বুঝে উঠতে পারছিল না পুলিশ। 

 

আরও পড়ুন: বাবার মারধরে মৃত্যু, ২৫টি হাড় ভাঙা ছিল ফুটফুটে শিশুটির

 

প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছিল, মোহিতের সঙ্গে ঝামেলার কারণে হয়তো তার প্রতিবেশীই তানিকে হত্যা করতে পারে। কিন্তু মোহিতের ওপরই পুলিশ সন্দেহ বাড়ে, কারণ সে নাকি বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পরই। এমনকি ফোনও নিজের সঙ্গে নিয়ে যায়নি। যদিও কিছুদিন পর সে ফিরে এসেই পুলিশের মুখোমুখি হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই খুনের কথা স্বীকার করে মোহিত। 

 

পুলিশকে সে জানিয়েছে, প্রতিবেশীর সঙ্গে তার সম্পর্ক প্রথম থেকে খারাপ ছিল না। তবে সম্প্রতি তাদের ঝামেলা হয়। এরপর থেকে তানিকে সে তাদের বাড়ি যেতে বারণ করেছিল। কিন্তু মেয়ে কথাই শুনছিল না। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও সেখানে যাচ্ছিল তানি। তাই রাগের মাথায় মেয়েকে হত্যা করেছে সে। 

 

ঘটনার দিন মেয়েকে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে আসতে দেখেছিল মোহিত। তখনই সে তাকে মোটরসাইকেলে করে দূরে এক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে গলা টিপে হত্যা করে দেহ চার টুকরো করে ফেলে। এই ঘটনায় পুলিশ তো বটেই এলাকাবাসীও স্তম্ভিত।

 

সূত্র: এনডিটিভি, দ্য ওয়াল

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন