বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনীপাড়ার লবণ মাঠ সংলগ্ন বিলে এ ঘটনা ঘটে। তবে নিহত শফিউল আলম লবণ চাষি বলে দাবি করেছেন তার বড় ভাই মনিরুল আলম।
মনিরুল আলম জানান, লবণ মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় কোস্টগার্ড ও সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির মাঝখানে পড়ে যান শফিউল। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এসময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় মামাদের হামলায় ভাগনে বউ নিহত
নিহত শফিউল আলম ( ২৭ ) কালারমারছড় ইউনিয়নের চিকনী পাড়া এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।
এদিকে কোস্টগার্ড এক বার্তায় জানিয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালী থানাধীন কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় ডাকাত দল ডাকাতি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সংবাদে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে ডাকাত দল কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করে।
এমতাবস্থায়, কোস্টগার্ডের আভিধানিক দল প্রথমে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে ডাকাত দলকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায়। আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে ডাকাত দল পুনরায় এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া শুরু করলে ঘটনাস্থলের পাশে থাকা শফিউল আলম (২৮) নামক একজন সাধারণ লবণ ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ লবণ ব্যবসায়ী এবং নিজেদের আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড পাল্টা গুলি চালায়। এমতাবস্থায় ডাকাত দল ২ টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: মনপুরায় বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নিহত
জব্দকৃত আগ্নেয়াস্ত্র পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।