এ বছর শবে কদর যে তারিখগুলোতে হতে পারে

১ সপ্তাহে আগে
শবে কদর ফারসি শব্দ। শব অর্থ রাত। আর কদর অর্থ সম্মান, মর্যাদা। আরবিতে এই রাতকে লাইলাতুল কদর বলা হয়। আরবি ‘লাইলাতুন’ অর্থ রাত। কদর শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা। আরেক অর্থ ভাগ্য, পরিমাণ ও তকদির নির্ধারণ। রমজান মাসের শেষ দশদিনের যে কোনো বেজোড় রাতে, ‘শবেকদর’ ঘটে।

শবে কদর কোনদিন

হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে কদর তালাশ করতে বলেছেন। এ হিসেবে রমজানের শেষ দশদিনের যেকোনো বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করা যায়, অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজান দিবাগত রাতগুলো। রমজানের শেষ দশকের পাঁচটি রাতে শবে কদর অনুসন্ধান করতে হয়। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত,

عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْوِتْرِ مِنْ الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ

রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের সন্ধান করো।’ (বুখারি, হাদিস: ২০১৭; মুসলিম, হাদিস: ১১৬৯)

এ বছর (২০২৫) শবে কদর অনুসন্ধানের রাতগুলো হলো— ২১ রমজান (২২ মার্চ) শনিবার রাত। ২৩ রমজান (২৪ মার্চ) সোমবার রাত। ২৫ রমজান (২৬ মার্চ) বুধবার রাত। ২৭ রমজান (২৮মার্চ) শুক্রবার রাত। ২৯ রমজান (৩০ মার্চ) রোববার রাত।

শবে কদরের ফজিলত

শবে কদরের ফজিলতের বিষয়টি কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত। এ রাতে ইবাদতের সৌভাগ্য লাভ করা হাজার মাসের ইবাদতের থেকে উত্তম।

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কদরের রাতে ঈমান ও সওয়াবের আশায় নামাজে দাঁড়ায় তার পূর্বের সব পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (বুখারি, হাদিস: ২০১৪; মুসলিম, হাদিস: ৭৬০)

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন