একটু ভিন্ন আঙ্গিকে পোশাক বানাতে লেইসের জুড়ি নেই। ঈদকে সামনে রেখে তাই রং বেরঙের, নানা ডিজাইনের লেইসে দোকানগুলো এখন ভরপুর।
বাজারে বাহারি ডিজাইনের পছন্দসই লেইস, ঈদ পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছেন নারীরা। বাজারে পাওয়া হরেক রকমের লেইসের দামও মোটামুটি হাতের নাগালে। বিক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরু থেকেই ভিড় বাড়ছে। এই ঈদে অনেকে নারী ক্রেতাই পাকিস্তানি পোশাকের ধাঁচ আনতে বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন কারুকাজের লেইস।
আরও পড়ুন: সিপাহিপাড়ার ঘরে ঘরে গার্মেন্টস, পোশাক যাচ্ছে রাজধানীতে
রমজানজুড়ে দর্জি বাড়িগুলোতে রাত–দিন কর্মব্যস্ততা। চলছে কাঁচির ক্যাচঁক্যাঁচ আর সেলাই মেশিনের খটখট শব্দ। ঈদ চলতি ফ্যাশনের একটি বড় অংশের কারিগর এই দর্জিরা। তারা বলছেন,, ঈদের চাপ এখনও তেমন আসেনি। তবে ধীরে ধীরে বাড়ছে ক্রয়াদেশ। চাপ বেশি থাকবে ১০ রমজানের পর।
তবে শেষ মুহূর্তের চাপ এড়াতে অনেক নারীই কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে লেইস-ফিতা নিয়ে আগে ভাগে এসেছেন দর্জি বাড়িতে। তাইতো লেগে আছে ভিড়। ক্রেতারা বলছেন, প্রথমদিকে ড্রেস বানিয়ে রাখাই ভালো। এতে শেষদিকে সিরিয়াল পাওয়া নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয় না। ডিজাইনও মনমতো করা যায়।
রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহ গেলেই অনেক দর্জি বাড়িতে পোশাক বানানোর ফরমায়েশ নেয়া বন্ধ হয়ে যায়। তাই এখনই তোড়জোড় চোখে পড়েছে।
]]>