অন্ধত্বকে জয় করে হস্তশিল্পে দক্ষ সামাদ তালুকদার

৩ সপ্তাহ আগে
জন্ম থেকেই দৃষ্টিশক্তিহীন, কিন্তু জীবনযুদ্ধে হার মানেননি সামাদ তালুকদার (৬৫)। নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাঁশিলা গ্রামের এই অদম্য ব্যক্তি চোখে দেখতে পান না, তবু তার হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয় বাঁশের ডালি, ধামা এবং গবাদিপশুর মুখোশ।

সংসারের সব কাজই করেন তিনি—জমিতে আগাছা পরিষ্কার থেকে শুরু করে বাজারে যাওয়া কিংবা মসজিদে নামাজ পড়া, সবই সামলান কারো সহায়তা ছাড়াই।

 

একচালা ঘরে তিন সন্তান নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে গেছেন সামাদ তালুকদার। প্রতিবন্ধী ভাতা ছাড়া নেই কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস। দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন, একমাত্র ছেলে মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। বয়সের ভারে এখন কানেও কম শোনেন তিনি। তবুও প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমে হাল ধরেছেন সংসারের। স্ত্রী ও সন্তানরাও তাকে কাজে সহায়তা করেন।

 

আরও পড়ুন: স্থবিরতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নাটোরের চামড়ার বাজার

 

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দৃষ্টিহীন সামাদ তালুকদার বাঁশের শিল্পকর্মে পারদর্শী হয়ে উঠেছেন। কোনো সহযোগিতা ছাড়াই বাজারে যান, মসজিদে নামাজ পড়তে যান এবং সংসারের কাজগুলো একাই সামলান। তার সংগ্রামী জীবনের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে তারা চান, সমাজ ও সরকার যেন তার পাশে দাঁড়ায়।

 

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুমন সরকার জানিয়েছেন, সামাদ তালুকদার যদি দোকান করতে চান, তাহলে বিনা সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন