সরেজমিনে হিলি স্থলবন্দরে দেখা যায়, সকাল থেকেই বন্দরে একের পর এক চালবোঝাই ট্রাক প্রবেশ করছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় চালের ক্রেতাদের সমাগমও ছিল চোখে পড়ার মতো।
হিলি কাস্টমস ও বন্দরের তথ্য মতে, গত ১৯ জানুয়ারি থেকে এ বন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়। ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে ১ হাজার ৯৫৩টি ট্রাকের মাধ্যমে ৮৪ হাজার ৬৭৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে।
বন্দরটিতে কথা হয় ঢাকা ও গাজীপুর থেকে আসা চাল ব্যবসায়ী সুমন মণ্ডলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত হিলি বন্দর থেকে এক-দুই ট্রাক চাল কিনে বিভিন্ন মোকামে পাঠাই। গত এক সপ্তাহ আগে স্বর্ণা চাল ৬২ টাকা কেজি দরে কিনেছিলাম, এখন সেই চালের দাম কেজিতে তিন টাকা বেড়ে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেশি দামে চাল কিনতে ভয় পাচ্ছি; যদি হঠাৎ করে দাম কমে যায়, তাহলে পুঁজি হারানোর আশঙ্কা থাকে।’
আরও পড়ুন: জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে বিজিবির বাড়তি সতর্কতা
আরেক পাইকার মহাব্বত আলী বলেন, ‘চালের দাম বাড়ায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। হিলি বন্দর থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে চাল কিনে মোকামে নিতে আরও প্রায় ২ টাকা খরচ হয়। সে ক্ষেত্রে চাল বিক্রি করতে হবে ৬৯ থেকে ৭০ টাকায়। এতে প্রশাসনের ঝামেলায় পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।’
এত বিপুল পরিমাণ চাল আমদানির পরও দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে আমদানিকারক শরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভারতে চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি টনে ২০ থেকে ৩০ ডলার বেশি দামে চাল আমদানি করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহনের ভাড়াও বেড়েছে। এসব কারণেই চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।’
এদিকে কেউ যদি চাল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক কুমার চাকমা।
তিনি বলেন, ‘চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার শুল্কমুক্তভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। আমদানিকৃত চাল মজুত করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
]]>
২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·