ইরানের রাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-তে প্রকাশিত এক লিখিত বার্তায় খামেনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহর নেতারা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় শত্রুদের বিরুদ্ধে সততা, দৃঢ়তা ও ধৈর্যের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।’ সেই সঙ্গে তিনি অঙ্গীকার করেছেন যে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
যুদ্ধ শুরুর (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিন বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। তবে এরপর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু হয়। এতে ওইদিন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন। জবাবে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। এর তিন দিন পর ইরানের সঙ্গে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যোগ দেয় লেবাননের হিজবুল্লাহ।
আরও পড়ুন: ইসরাইলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল হুথি
সেই থেকে ইরানের পাশাপাশি লেবাননজুড়ে বিমান হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইল। সেই সঙ্গে স্থল অভিযানও চালাচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী। তবে তাদের এই স্থল অভিযান হিজবুল্লাহর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে।
হিজবুল্লাহর পাশাপাশি ইরাকের মিলিশিয়া বাহিনী ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে। হুথি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে দক্ষিণ ইসরাইলের ‘স্পর্শকাতর কয়েকটি স্থান লক্ষ্য’ করে ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·