রয়্যাল কমিশন ফর মক্কা সিটি অ্যান্ড হোলি সাইটসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আল-রশিদ এই ঐতিহাসিক ঘোষণা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্পটির কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিমানবন্দরটি নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-রাশিদ জানান, বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। তবে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যকারিতা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
প্রকল্পটি এখনও প্রাথমিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ পর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হলেও নির্মাণের সময়সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
আরও পড়ুন: সৌদির হজ-ওমরাহ মন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক
এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ কর্মসূচির অংশ, যার লক্ষ হজ ও ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা বাড়ানো এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা। বর্তমানে হজ যাত্রীরা জেদ্দা হয়ে মক্কায় পৌঁছান, যা শহরটি থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে। নতুন বিমানবন্দর চালু হলে এই যাত্রা সময় অনেকাংশে কমে আসবে।
এছাড়া মক্কা মেট্রো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রাথমিক নকশার কাজও শেষ হয়েছে। এটি পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ করবে বলেও জানান আল-রাশিদ।
এছাড়া ‘স্মার্ট মক্কা’ কর্মসূচির আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মসজিদুল হারাম এলাকায় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে জামারাত সেতু এলাকায় ভিড় কমাতে পূর্বাভাসভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·