গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধকে ধুয়ে-মুছে পরিপাটি করা হয়েছে। সবুজ চত্তরের মাঝে লাল, নীল, হলুদসহ বাহারি ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছে। এছাড়া সৌধের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
স্মৃতিসৌধের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কুচকাওয়াজ ও বিউগলের সুরে অনুশীলন করে নিচ্ছেন।
গত এক মাস ধরে দিনরাত কাজ করে গেছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এবং সৌধ মিনার, শহীদ বেদি থেকে মূল ফটক পর্যন্ত হেরিংবন্ড পাথরে সেজে উঠেছে।
আরও পড়ুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, জাতীয় স্মৃতিসৌধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। ২৬ মার্চ ভোরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করবেন, এরপর সাধারণ জনগণের জন্য মূল ফটক খুলে দেয়া হবে। তবে, নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রাথমিকভাবে সৌধ এলাকায় প্রবেশাধিকার সীমিত রাখা হয়েছে।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইতিহাস ১৯৭২ সালে শুরু হয়েছিল নবীনগরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে। ৮৪ একর জমিতে ১৫০ ফুট উচ্চতার সৌধ মিনারসহ পুরো চত্বরটি ১৯৮৮ সালে সম্পন্ন হয়।
]]>