যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন আয়োজনই প্রধান লক্ষ্য: ড. ইউনূস

১৭ ঘন্টা আগে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করাই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনে বক্তৃতা করেন তিনি।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সংবিধান ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।’


তিনি বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে আমাদের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ ক্রমাগতভাবে তাদের অধিকার হারাতে দেখেছে। প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়েছে, নাগরিক অধিকার পদদলিত হয়েছে। প্রায় দু-হাজার তরুণ, যবক ও শিশুর প্রাণের বিনিময়ে জনগণ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটায়। বাংলাদেশ যেন নতুনভাবে জেগে উঠেছে।’
 

আরও পড়ুন: ‘তিন শূন্য’ বিশ্ব গড়ার পথে অগ্রসর হতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা


ড. ইউনূস বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি সুস্থ ও স্বচ্ছ অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা সুশাসন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছি। এরইমধ্যে বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং সংবিধান সংক্রান্ত ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়েছে। এগুলোর সুপারিশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ‘জাতীয় ঐক্যমত কমিশন’ গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে আমি নিজে রয়েছি।’


তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ আমাদের জনসংখ্যাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখে, কিন্তু আমরা এটিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখি। আমরা বিমসটেক সচিবালয় হোস্ট করে এর শক্তি ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চাই।’


রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান না হলে, এটি পুরো অঞ্চলের জন্য অস্থিতিশীলতা তৈরি করার শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিমসটেক এ বিষয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। রাখাইন রাজ্যে একটি মানবিক করিডোর স্থাপন করা যেতে পারে, যাতে ক্ষুধা ও গৃহচ্যুতি ঠেকানো যায়।


বিমসটেক সম্মেলনের চেয়ারম্যানশিপ গ্রহণের পর আগামী দু-বছরে সদস্যদেশগুলোকে ঢাকায় স্বাগত জানাতে অপেক্ষায় থাকবেন বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন