শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে পটিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাইকপাড়া এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার কাছ থেকে একাধিক ভুয়া পরিচয়পত্র ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সিএসএফ চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্স লেখা আইডি কার্ড, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর, বাওফেং মডেলের ওয়াকিটকি সেট, সিগন্যাল লাইট, মনিটরিং সেল কার্ড এবং একাধিক মোবাইল ফোন।
পুলিশ জানায়, রিয়াদ তার ফেসবুক আইডিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করত। প্রাথমিকভাবে এসব ছবি এআই দ্বারা তৈরি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল শাখার ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করে তদবির বাণিজ্য করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগের কথা বলে জামিন করিয়ে দেয়ার আশ্বাসে কামরুল হাসান নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে দুই লাখের বেশি টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে এ অভিযোগের ভিত্তিতে পটিয়া থানায় মামলা করলে শনিবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রোববার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত উপ মহাপরিদর্শক নাজমুল হাসান জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ট্যাক্স ইন্সপেক্টর ও কন্ট্রোল-সার্ভার ইনচার্জসহ বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নামেও তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। একইসঙ্গে ভুয়া পার্সেল ডেলিভারির তথ্য দিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: সিআইডির এসআই পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
প্রতারণাকে পেশা হিসেবে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অপরাধ করে আসছিল রিয়াদ। এআই জেনারেটেড ছবি ব্যবহার করে এ প্রতারণা করা হত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রিয়াদের বিরুদ্ধে পূর্বেও নারী নির্যাতন ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানাও ঝুলে আছে।

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·