রাকিব হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার নজরপুর গ্রামের মো. মোবারক হোসেনের ছেলে। কয়েক বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। বিয়ের জন্য ছুটি নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে দেশে ফেরেন এবং পারিবারিকভাবে মরিয়ম নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন।
বিয়ের ছুটি কাটিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে মালয়েশিয়ায় ফিরে আসেন রাকিব। কিন্তু এরপরই তার স্ত্রী মরিয়ম বাবার বাড়ি চলে যান এবং স্বামীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
রাকিবের বাবা মোবারক হোসেন বলেন, রাকিব কানে কিছুটা কম শুনতেন এবং ধীরগতিতে কথা বলতেন। এ কারণে স্ত্রী মরিয়ম ও তার পরিবারের সদস্যরা রাকিবকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতেন। স্ত্রীর এমন আচরণ সইতে না পেরে ছেলে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া / কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের দাবি, বিতর্কিত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের আহ্বান
মোবারক হোসেনের দাবি, বিয়ের আগেই মরিয়ম অন্য এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন, যা বিয়ের পর জানাজানি হয়। রাকিব মালয়েশিয়া চলে যাওয়ার পর মরিয়ম পুনরায় তার পুরনো প্রেমিকের সঙ্গে মেলামেশা শুরু করেন এবং স্বামীকে এড়িয়ে চলতে থাকেন।
বর্তমানে রাকিবের মরদেহ কুয়ালালামপুর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা বাবা মোবারক হোসেন এখন ছেলের নিথর দেহটি দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন।
দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ বাংলাদেশে পাঠাতে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে এই মর্মান্তিক পরিণতির পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া / বিদেশি নাগরিকদের অনলাইন জুয়ার আস্তানায় হানা, ৫ বাংলাদেশিসহ আটক ৭
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·