শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সোয়া ৮টায় জেলার রাজাপুর উপজেলার ডহরশংকর গ্রামের দারুস-সুন্নাহ ঈদগাহ মাঠে এই ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। একই জামাতে দেড় শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেন। নারীদের জন্য পর্দায় ঘেরা আলাদা কাতারের ব্যবস্থা ছিল। নামাজ শেষে সবার মাঝে ফিরনি-সেমাইসহ ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।
গ্রামবাসী জানান, ২০১৪ সাল থেকে ডহরশংকর গ্রামের অর্ধশত পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
এ বিষয়ে দারুস-সুন্নাহ ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মো. রিপন হাওলাদার বলেন, ‘পূর্বপুরুষদের দেখানো পথে চলতে গিয়ে আমরা বুঝতে পারি, আমরা সঠিক পথে নেই। পরে সঠিক পথের সন্ধান পেয়ে ২০১৩ সালে তিনটি পরিবার নিয়ে নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন শুরু করি। ২০২০ সাল থেকে এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করি এবং প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করি।’
আরও পড়ুন: রেশন স্টোরের ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ, পুলিশের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
শুরুর দিকের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, ‘শুরুতে নানা বাধা থাকলেও বর্তমানে আর কোনো সমস্যা নেই। দিন দিন আমাদের সংখ্যা বাড়ছে। আশপাশের উপজেলা থেকেও অনেকে এখানে নামাজে অংশ নিতে আসেন।’
ঈদগাহ মাঠের ইমাম ও খতিব মাওলানা আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘তরিকা বলতে আমরা নবী করিম (সা.)-এর তরিকাকেই বুঝি। কোরআন ও সহিহ হাদিস অনুযায়ী যে আমল পাওয়া যায়, আমরা তা অনুসরণ করার চেষ্টা করি। সহিহ হাদিস অনুযায়ী সারা বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে একই দিনে প্রথম চাঁদ দেখে আমরা ঈদ উদযাপন করেছি।’
হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নবী করিম (সা.) বলেছেন, যদি দুই ব্যক্তি নতুন চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দেয়, তবে সিয়াম ও ঈদ পালন করো। এখানে নির্দিষ্ট কোনো দেশের কথা বলা হয়নি। সেই হাদিসের ভিত্তিতেই আমরা চাঁদ দেখার সংবাদ পেয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছি।’
]]>
৩ ঘন্টা আগে
২





Bengali (BD) ·
English (US) ·