স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১১টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় বলে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, কার্যকর হওয়া এই বর্ধিত মেয়াদের মূল উদ্দেশ্য হলো সাবেক এসডিএফ নিয়ন্ত্রিত কারাগারগুলো থেকে আইএসআইএল (আইএস) বন্দিদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ তদারকিতে এই বন্দি বিনিময় বা স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সিরিয়া থেকে আইএস বন্দিদের ইরাকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে: মার্কিন বাহিনী
যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের বিষয়টিকে এসডিএফ কর্তৃপক্ষও নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এই চুক্তি সংঘাত নিরসন, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দামেস্কের সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঘোষণায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এলেও মূল সংকট নিয়ে সংশয় কাটেনি। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের মূলে থাকা এসডিএফ যোদ্ধাদের সরকারি সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানে একীভূত করার অমীমাংসিত বিষয়টি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: সিরিয়ায় সরকার ও এসডিএফের চারদিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা
এর আগে সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গত ১৮ জানুয়ারি কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ-এর সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি ও পূর্ণ একীভূতকরণ চুক্তির ঘোষণা দেন। এসডিএফও তাতে সম্মতি জানায়। তবে যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ১৯ জানুয়ারি আবারও সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী এসডিএফ যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।
সংঘর্ষের মধ্যে হাসাকাহ প্রদেশের শাদ্দাদি কারাগার থেকে প্রায় ২০০ আইএস বন্দি পালিয়ে যায়। সরকার এ ঘটনার জন্য এসডিএফকে দায়ী করে এটাকে ‘রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে অভিহিত করে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, এসডিএফ ইচ্ছাকৃতভাবে আইএস বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে পরিস্থিতি নিয়ে ভ্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে।

১ মাস আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·