এ ঘটনায় রংপুরের এক গাইনি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকের দায়িত্বশীল আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।
গৃহবধূ হাবীবা জান্নাত রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ৩নং ইউনিয়নের বড় আমবাড়ি গ্রামের শাওন মিয়ার স্ত্রী।
সরেজমিনে কথা হয় ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবিবা জান্নাতের সঙ্গে; তিনি বলেন, ‘গত ৮ মার্চ নগরীর বন্ধন জেনারেল হাসপাতালে আমার সিজার করেন গাইনি চিকিৎসক রাজিয়া বেগম মুক্তা। অপারেশনের পর থেকেই তীব্র পেটব্যথা ও জটিলতায় ভুগছি। এখন ওই চিকিৎসকের কাছে এসে ওনাকে বিষয়টি জানাই। উনি বলেন, আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে। আমি আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে নিয়ে আসি কিন্তু উনি দ্বায় স্বীকার করেন না। আমি আবার গাইনি চিকিৎসক মৌসুমী হাসানের কাছে যাই তিনি সিটি স্ক্যান করে আমার শরীরে গজ থাকার বিষয়টি পরিষ্কার করেন।’
আরও পড়ুন: পেটে গজ রেখেই সিজারিয়ান রোগীকে সেলাই!
ভুক্তভোগী হাবিবা জান্নাতের স্বামী শাওন মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তাকে অবগত করি তিনি গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। পরে অন্য চিকিৎসকের দ্বারস্থ হলে পরামর্শ দেন সিটি স্ক্যান করতে। এতে ধরা পড়ে পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু।’
তিনি আরও জানান, ‘আমরা আবার সান ডায়াগনস্টিকে অপারেশন করতে গেলে গাইনি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তার স্বামী আতিক আমাদের হুমকি দেন ও চিকিৎসককেও হুমকি দেন। আমরা এখন ভয়ভীতি নিয়ে অসহায়ভাবে ঘুরছি।’
আরও পড়ুন: ফোঁড়ার অস্ত্রোপচারে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে পালালেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু
রোগীর দেয়ায় ঠিকানা অনুযায়ী ওই চিকিৎসকের কাছে বিষয়টি জানতে গেলে সান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চেম্বারে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মোবাইলে কল দিলে তার একজন সহযোগী ফোন রিসিভ করেন। এ সময় তিনি বলেন, ম্যাডাম রোগী দেখছেন পরে কথা বলবে বলে ফোন কেটে দেন।
তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়ে রংপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা বলেন, ‘আমি আপনার মুখে বিষয়টি শুনলাম। এটা খুবই দুঃখজনক। তদন্ত করে জানতে হবে দায়িত্বে অবহেলা ছিলো কিনা। যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমাদের বরাবর একটা দরখাস্ত করলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো।’
]]>

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·