সামরিক অভ্যুত্থানের পাঁচ বছর পর পার্লামেন্ট বসল মিয়ানমারে

৩ সপ্তাহ আগে
মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পাঁচ বছর পর আবার বসেছে পার্লামেন্ট। নির্বাচনে বড় বিরোধী দলগুলো অংশগ্রহণ করতে না পারায় ভোট প্রক্রিয়াকে অনেকেই ‘ভুয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এরইমধ্যে উত্তরের শান রাজ্যে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে বিদ্রোহী দলগুলো। দক্ষিণের থানেটচৌংয়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সাতজনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

মিয়ানমারের উত্তর শান রাজ্যের কুতকাই শহরে সাবেক বিদ্রোহীগোষ্ঠী এমডিএনএএ এবং টিএনএলএ’র মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। ২০২৩-২০২৫ সালের সামরিক অভিযান চলাকালীন একই দলে থাকা এই বাহিনী এখন একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, শহর দখলের পর এমডিএনএএ স্থানীয় প্রশাসন ও বাণিজ্য পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

 

দক্ষিণ মিয়ানমারের থানেটচৌংয়ে সেনাবাহিনী দখল করা একটি গ্রাম পুলিশ স্টেশন ছাড়ার সময় গ্রামে প্রবেশ করে কয়েকজন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করে। স্থানীয় কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরা রয়েছেন।

 

এদিকে পাঁচ বছরের বিরতির পর পুনরায় বসেছে নতুন পার্লামেন্ট। সাবেক সেনা ও জান্তা সহযোগীরা গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেছেন। নিম্নকক্ষে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কীন ইয়ি, যিনি সাবেক জেনারেল ও পুলিশ প্রধান। 

 

আরও পড়ুন: মিয়ানমারের রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ১৭

 

সামরিক বাহিনী এখনো সংসদের ২৫ শতাংশ আসন দখল করে রেখেছে, এবং একটি সুপারবডি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং রাজনৈতিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।

 

সাম্প্রতিক নির্বাচনে বড় বিরোধী দলগুলো অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তাই ভোট প্রক্রিয়াকে অনেকেই নকল বা ভুয়া নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠী ও আসিয়ান নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি দেয়নি।

 

এরমধ্যেই সারা দেশে সশস্ত্র সংঘাত এবং মানবিক সংকট অব্যাহত রয়েছে, যেখানে বহু এলাকা সামরিক প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন