এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ত্রয়োদশ নির্বাচনের তোড়জোড়। নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে এত ব্যস্ততার মাঝেও নারী সাফ ফুটসালে বাংলাদেশ দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খবর চোখ এড়ায়নি তার। মেয়েদের দারুণ এই সাফল্যে তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
নিজের ফেসবুক আইডিতে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘প্রচারণরা সময় বাংলাদেশের কিছু অনুপ্রেরণামূলক খবর জানতে পেলাম। প্রথম সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নারী ফুটসাল দলকে অভিনন্দন। স্পোর্টসম্যানশিপ এবং প্রতিভা দিয়ে তারা দেখিয়েছে সীমিত সম্পদের মধ্যেও সম্ভব (চ্যাম্পিয়ন হওয়া)। তাদের লালন-পালন এবং ক্ষমতায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। যাতে বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের গর্ব এবং সম্ভাবনা তুলে ধরতে পারে।’
আরও পড়ুন: মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
থাইল্যান্ডের ব্যাংককের ননথাবুরি হলে রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাউন্ড রবিন লিগে নিজেদের ষষ্ঠ ও শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সাবিনা-মাসুরারা। ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সেরা হলো লাল সবুজের মেয়েরা।
এবারের আসরে শুধু একটি ম্যাচে জয়বঞ্চিত ছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। ভুটানের বিপক্ষে ওই ম্যাচে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল সাবিনারা। বাকি সব ম্যাচেই জয় তুলে নেয় লাল সবুজরা। আর শেষ ম্যাচটাই তো প্রতিপক্ষ দলকে একেবারে উড়িয়েই দিয়েছে মেয়েরা।
ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ভুটান ম্যাচের পরবর্তী তিন ম্যাচে যথাক্রমে নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২ এবং পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে হারিয়েছিল। তাতেই শিরোপার পথ খুলে গিয়েছিল সাবিনাদের। তবে শেষ ম্যাচে কোনো অঘটন হলে সুযোগ পেয়ে যেতো ভুটান। কিন্তু তাদের সে সুযোগ দেয়নি লাল সবুজরা। যদিও এদিন মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল দল।
আরও পড়ুন: সাফ ফুটসাল জেতায় বাংলাদেশ নারী দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
চতুর্থ মিনিটে প্রতিপক্ষকে লিড এনে দিয়েছিলেন সানিয়া ইব্রাহিম। ম্যাচে ফিরতে অবশ্য সময় নেয়নি বাংলাদেশ। একটু পরই দূরপাল্লার ফ্রি কিকে দারুণ এক গোল করে সমতায় ফেরান সাবিনা। এরপর পেনাল্টি মিস করে হতাশ করলেও কিছুক্ষণ পরই সার্কেলের বাইরে থেকে ফ্রি কিক থেকেই ব্যবধান বাড়ান সাবিনা। এরপর কৃষ্ণা রানী, লিপি আক্তার ও নৌশিন জাহানের কল্যাণে ৬-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে দূরপাল্লার শটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সাবিনা। এরপর গোল করে ব্যবধান বাড়ান মাতসুশিমা সুমাইয়া। পঞ্চম মিনিটে নিজের চতুর্থ গোলে স্কোর লাইন ৯-১ করেন সাবিনা।
দশম মিনিটে নীলার কোনাকুনি শটে ব্যবধান আরও বাড়ে। এরপর সাবিনার ফ্লিকে বল পাওয়ার পর লিপি পূরণ করেন হ্যাটট্রিক। লাল সবুজরা ব্যবধান বাড়াতে বাড়াতে একটা সময় ১৬-১ এ নিয়ে যায়। শেষদিকে একটি গোল করে ব্যবধান কমায় মালদ্বীপ। ততক্ষণে বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। রেফারি বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে বাঁধভাঙা উদযাপনে মেতে ওঠেন সাবিনারা।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·