এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের (নেকম) প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন ম্যানেজার আব্দুল কাইয়ুম।
তিনি বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপে ৮ হাজার ৫০০ ডিম সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে কাছিমের ছানা অবমুক্ত করা হয়েছে এক হাজার ৫০০টি। কক্সবাজারে ১২টি পয়েন্ট এবার ২৫ হাজার ৭০০ ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত দুই হাজার কাছিমে ছানা অবমুক্ত করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনের সাগরে আরও ১৩২টি কাছিমছানা অবমুক্ত
আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের (নেকম) পরিচালনার মাধ্যমে গত চার বছরে ৪০ হাজার ৪৫০টি ডিম সংগ্রহ করা হয়; যা থেকে ৮৫ শতাংশ বাচ্চা ফুটিয়ে সাগরে অবমুক্ত করা হয়। এ ধরনের পদ্ধতিকে এক্স-সিটু সংরক্ষণ বলা হয়। এ ছাড়া গত তিন বছরে ১৩টি সংস্থান বা ইন-সিট্যু পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত করা হয়। বন ও পরিবেশ অধিদফতরের দিক নির্দেশনায় নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট (নেকম) কাছিম সংরক্ষণের এ কাজ বিগত ২০ বছর ধরে করে আসছে।’
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে জন্ম নিল ২৭০ কাছিমছানা
আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘সমুদ্রের ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা পরিষ্কার এবং মাছের পোনা খাদক জেলিফিশ খেয়ে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে অনন্য ভূমিকা রাখে এই কাছিম।’
সম্প্রতি নেকমের একটি জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৪টি স্পটে সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসছে, যা এক দর্শক আগেও ছিল ৫২টি। অর্থাৎ হুমকির মুখে রয়েছে সামুদ্রিক কাছিমের ডিমপাড়ার স্থান সমূহ।