সন্ধান মেলেনি মেঘনায় নিখোঁজ বরিশালের পুলিশ সদস্যের

৩ সপ্তাহ আগে
ভোলায় মৎস্য বিভাগের অভিযানে দুর্ঘটনার ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্ধান মেলেনি বরিশালের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল ফখরুল ইসলামের।

ঈদের আগে প্রিয়জনকে হারিয়ে পরিবারে বইছে শোকের মাতম।


বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর ভোলার লালমোহন উপজেলার মেঘনা নদীর মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় মৎস্য বিভাগের অভিযানিক স্পিডবোট উল্টে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্য নিখোঁজ হন।


নিখোঁজ ফখরুল ইসলামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। এদিকে, তার শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদি দরগাবাড়ি এলাকায় গিয়ে কথা হয় তার স্ত্রী রওশন আরা বেগমের সাথে। স্বামীকে হারিয়ে নির্বাক তিনি। আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করছেন স্বামীর সন্ধানে।


স্ত্রী রওশন আরা দাবি করেন, তার স্বামী অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও অভিযানে যেতে বাধ্য করা হয় এবং কোনো ধরনের নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই তড়িঘড়ি করে তাকে পাঠানো হয়েছে।


আরও পড়ুন: বিটিভিকে মানুষের আস্থার জায়গায় নেওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

রওশন আরার ভাই জুয়েল বলেন, তিনি যেহেতু ডিউটিরত অবস্থায় নিখোঁজ হয়েছেন, তাই সরকারের কাছে দাবি- দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার করে তাকে জীবিত বা মৃত যেভাবেই হোক আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।


এদিকে তাকে উদ্ধারে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বরিশাল ও খুলনার ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে।


জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন জানান, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা চলায় তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের সাত সদস্যের একটি দল স্পিডবোটযোগে অভিযানে নামে। ঘাট ছাড়ার পরপরই তীব্র স্রোতের টানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্পিডবোটটি ঘাটে নোঙর করা ‘কর্ণফুলী-১০’ নামের একটি লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের সহায়তায় ছয়জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও পুলিশ কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ হন।


লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বুধবার রাতে মুঠোফোনে জানান, নিখোঁজ ফখরুল ইসলামকে উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বরিশাল ও খুলনা থেকে ডুবুরি দল এসে তল্লাশি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন