বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং গণভোট বাস্তবায়নের প্রশ্নে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রভাব ও সম্ভাবনা’ শীর্ষ গোলটেবিল বৈঠকে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সারোয়ার তুষার বলেন, ‘সংবিধান আইন ও গণভোট নিয়ে সংসদে গতকাল এত আলোচনার মাঝে প্রধানমন্ত্রী গালে হাত দিয়ে বসে ছিলেন, একটাও কথা বলেননি। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আধাঘণ্টা কথা বলেছেন। সংসদ নেতার পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন প্রস্তাব দেন?’
ছোট রায় বড় রায়কে গিলে খেতে চাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘গণভোটের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে মনে হয় তিনি যা বলবেন তাই আইন। চাতুরির রাজনীতি করছে বিএনপি। তারা জুলাই সনদকে অক্ষরে অক্ষরে মানবে বললেও কোনোক্ষেত্রে সেটি মানছেন না।’
‘এর আগে নিজেরাই (বিএনপি) সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলেছেন। বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও বলেছেন। কিন্তু এখন আমাদেরকে দেশবিরোধী বলা হয়।
সরোয়ার তুষার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্বাক জেসচার পলিটিক্স— এই নির্বাক চলচ্চিত্র কোথায় নিয়ে যাবে সেটাই বড় প্রশ্ন। যেই ভেলকি বিএনপি দেখাতে চাচ্ছে, সেটি ব্যাকফায়ার করবে।’
আরও পড়ুন: সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকীকে উদ্দেশ্য করে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘তিনি বিএনপির সঙ্গে ছোট ইনু বা ছোট মেনন হয়ে কতদিন থাকতে পারেন সেটি এখন দেখার বিষয়।’
বৈঠকে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ও আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকী বলেন, ‘গণভোটের ফল বাস্তবায়নের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। আইনিভাবে মোকাবিলা করার উপায় নেই।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, ‘সংবিধান সংস্কারের সঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল কিংবা রাষ্ট্র বা জনগণের ক্ষতির সম্পর্ক নেই। তবুও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন? কেউ বলছেন আগের ৩০০ রান আপনারা করেছেন। অথচ আগের ৩০০ রানের চেয়ে শেষ বলে জয়সূচক রান করাটাই আসল।’
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·