সংবাদ সম্মেলনের মাঝেই ওই সমর্থক বলেন, সাম্প্রতিক প্রতিপক্ষদের তুলনায় ফ্রান্সের এর মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে হলে আর্জেন্টিনাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে হবে। তার কণ্ঠে ছিল হতাশা, তবে একই সঙ্গে ছিল উদ্বেগও।
এই উদ্বেগের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স। র্যাঙ্কিংয়ের ১১৫তম দল মৌরিতানিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারায় আর্জেন্টিনা, যেখানে জয় পেলেও প্রত্যাশার তুলনায় বেশ ভুগতে হয়েছে দলটিকে। ম্যাচজুড়ে ছন্দপতন ও মনোযোগের ঘাটতি চোখে পড়েছে। পরের ম্যাচে র্যাঙ্কিংয়ের ৯২তম দল জাম্বিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলেও প্রতিপক্ষের মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
মূল সমালোচনাটা এখানেই। মৌরিতানিয়া বা জাম্বিয়ার মতো দলের বিপক্ষে জয় আর্জেন্টিনার জন্য খুব একটা চ্যালেঞ্জিং ছিল না। বরং এসব ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রকৃত প্রস্তুতির মান যাচাই হয়নি বলেই মনে করছেন অনেকেই।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে চান্স পাওয়া তুরস্ক এবার কতটা শক্তিশালী?
এখন আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগও নেই। প্রস্তুতি পর্ব শেষ করে আর্জেন্টিনা সরাসরি নামবে মূল লড়াইয়ে। বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। কাগজে-কলমে এগুলো সহজ প্রতিপক্ষ মনে হলেও পারফরম্যান্সে ঘাটতি থাকলে বিপদে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনা এখনও অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী। অভিজ্ঞতা, শক্তিশালী স্কোয়াড এবং বড় মঞ্চে জয়ের মানসিকতা; সবই আছে তাদের পক্ষে। তবে গতি, মনোযোগ এবং প্রতিযোগিতামূলক তীব্রতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সংবাদ সম্মেলনের সেই ঘটনাই যেন সমর্থকদের মনের কথাই তুলে ধরেছে, ফুটবলে প্রতিপক্ষের মান বাড়লে ছোট ভুলই বড় ব্যবধান গড়ে দেয়।
আরও পড়ুন: মেসি ও আর্জেন্টিনা দল প্রতারণা করেছে–দাবি কেরালার ক্রীড়ামন্ত্রীর
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·