কমান্ডার কায়ানি বলেন, ইয়েমেনের ‘বীর মুজাহিদিন’ ও জনগণের ভয়ে মার্কিন বাহিনী বাব আল-মান্দেব প্রণালী অতিক্রম করার সাহস পায়নি। তার ভাষায়, তারা ‘লোহিত সাগর ও অঞ্চল থেকে পালিয়ে গেছে’ এবং ‘দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করে একটি বানানো গল্প ছড়িয়েছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত সব মার্কিন ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’র পরিণতি হবে এই অঞ্চল থেকে পালিয়ে যাওয়া।’ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকেও তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন কায়ানি। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘ক্রিমিনাল ট্রাম্পেরর উচিৎ ইউএসএসে জেরাল্ড আর ফোর্ডের কমান্ডারকেও বরখাস্ত করা।’
আরও পড়ুন: ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় বিমান হামলা, নিহত বেড়ে ৫, আহত ১৭০
এই বক্তব্য মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতৃত্বে সাম্প্রতিক পরিবর্তনকে লক্ষ্য করে দেয়া হয়েছে। মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই সিদ্ধান্তকে অনেক বিশ্লেষক ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি সেনাবাহিনীতে প্রতিষ্ঠা করা এবং সামরিক কাঠামোর ভেতরে ক্ষমতা আরও কেন্দ্রীভূত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, হামলায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৬ হাজার ৫০০ জন।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ বিমান ও দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে: আইআরজিসি
জবাবে তেহরান ইসরাইলের পাশাপাশি জর্ডান, ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হামলায় অন্তত ২৪ জন ইসরাইলি নিহত এবং ৬ হাজার ৫৯৪ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·