সাফের বয়সভিত্তিক এই টুর্নামেন্টটি এখন পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০— এই তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট সাতবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাফল্যের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে ভারত, চারবার শিরোপা জিতে তারা নিজেদের আধিপত্য দেখিয়েছে। নেপাল দুবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো এই আসরের ট্রফি ঘরে তোলে, যা তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
সব বয়সভিত্তিক বিভাগ মিলিয়ে এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চতুর্থ ফাইনাল লড়াই। এর আগে ২০১৯ সালের অনূর্ধ্ব-১৮, ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-২০ এবং ২০২৫ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। তিনটি ম্যাচেই শেষ হাসি হেসেছে ভারত, আর প্রতিবারই হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।
আরও পড়ুন: রিয়ালের মুখোমুখি হওয়ার আগে বায়ার্ন শিবিরে দুশ্চিন্তা
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রতিপক্ষ যখন ভারত, তখন স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা। কারণ ইতিহাস বলছে— জাতীয় দল থেকে শুরু করে বয়সভিত্তিক যে-কোনো পর্যায়ের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে এখনও জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ।
এমন সমীকরণ সামনে রেখে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের মালের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ম্যাচের শুরু থেকেই ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে বাংলাদেশ।
এক পরিবর্তন এনে শুরুর একাদশ সাজান কোচ কক্স। সানি দাসের জায়গায় শুরু থেকেই নামানো হয় আব্দুল রিয়াদ ফাহিমকে। নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বদলি হিসেবে নেমে দারুণ পারফরম্যান্স করা ডেকলান সুলিভানকে এবার ভারতের বিপক্ষে বেঞ্চেই রাখেন তিনি।
তবে ডেকলানের ভাই রোনান সুলিভান ছিলেন শুরুর একাদশে এবং আক্রমণে শুরু থেকেই ছিলেন বেশ সক্রিয়। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে বাম দিক থেকে তার নেওয়া দুর্বল শট সহজেই সামলে নেন ভারতের গোলরক্ষক।
আরও পড়ুন: এবার ইতালির কোচের পদ ছাড়লেন গাত্তুসো
ডান প্রান্তে ভারতের রোহেন সিং একের পর এক বিপজ্জনক ক্রস তুললেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল সতর্ক, বড় কোনো বিপদ তৈরি হতে দেয়নি তারা।
১৩তম মিনিটে রোনানের দারুণ ক্রসে বক্সের ভেতরে উঁচুতে লাফিয়ে ওঠেন মিঠু চৌধুরি, কিন্তু তার হেড লক্ষ্যে ছিল না। দুই মিনিট পর মানিকের বাড়ানো বল ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলে পেয়ে শট নিতে চেয়েছিলেন রোনান, তবে শেষ পর্যন্ত বলের নাগাল পাননি তিনি।
৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে ছোট বক্সের সামনে ঋশিকান্ডা ঘুরে ভলি করার চেষ্টা করলেও রক্ষণে বাধা পেয়ে শটটি ঠিকমতো নিতে পারেননি। পরে কামাল মৃধার ক্লিয়ারেন্সের পর জদরিক আব্রানাচেসের দুর্বল হেড সহজেই ধরে ফেলেন গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আবারও সুযোগ পান রোনান। সতীর্থের নিচু পাস থেকে দারুণভাবে বল তুলে সাইড ভলি নিলেও সেটি উড়ে যায় ক্রসবারের অনেক উপর দিয়ে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·