লারিজানিকে হত্যা ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪ ঘন্টা আগে
সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রভাবশালী সচিব আলী লারিজানিকে ইসরাইলের হত্যা, ইরানের নেতৃত্বের ওপর ‘মারাত্মক’ আঘাত হানবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে তেহরান লারিজানির হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরপর আল জাজিরায় প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এখনও বুঝতে পারেনি যে ইরানের সরকার কোনো একক ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।

 

আরাঘচি বলেছেন, ‘আমি জানি না কেন আমেরিকান এবং ইসরাইলিরা এখনও এই বিষয়টি বুঝতে পারেনি: ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কাঠামো রয়েছে, যেখানে সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বিদ্যমান।’

 

আরও পড়ুন:‘যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইলকে নতজানু করা হচ্ছে, শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়’

 

‘একজন ব্যক্তির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি এই কাঠামোকে প্রভাবিত করে না।’ বলেন তিনি।

 

আরাঘচি ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রথম দিনেই নিহত দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এই বিশাল জাতীয় ক্ষতি সত্ত্বেও, ব্যবস্থাটি চালু ছিল।

 

‘আমাদের খামেনির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না, তার শহীদ হওয়ার পরও ব্যবস্থাটি তার কাজ চালিয়ে গেছে এবং অবিলম্বে একজন উত্তরসূরি খুঁজে বের করেছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন।

 

তেমনি ওনার জায়গায় অন্য কেউ শহীদ হলেও একই ব্যাপার ঘটবে।  তিনি যোগ করেন।


আরাঘচি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যদি কখনো শহীদ হন, শেষ পর্যন্ত সেই পদটি গ্রহণের জন্য অন্য কেউ থাকবেন।

 

ইসরাইল-মার্কিন হামলায় নিহত প্রয়াত আলী খামেনি এবং তার পুত্র ও উত্তরাধিকারী মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী, ৬৭ বছর বয়সী লারিজানি ইসরাইলের হামলায় নিহত হন।

 

আরও পড়ুন:সোলেইমানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

 

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম মঙ্গলবার এও নিশ্চিত করেছে যে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অধীনস্থ আধাসামরিক গোষ্ঠী বাসিজ বাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলামরেজা সোলেইমানিও এক ‘আমেরিকাবাদী-জায়নবাদী শত্রু’র হামলায় নিহত হয়েছেন।

 

সূত্র: আল জাজিরা

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন