মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাস কাউন্টার ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়েই কাউন্টারে হাজির হচ্ছে বাস। তাই বিগত সময়ে মতো বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় পার করার ভোগান্তিতে পড়তে দেখা যায়নি যাত্রীদের।
তবে ভাড়ার বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে অনেকের। স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের।
এ অভিযোগ অস্বীকার করেন পরিবহন শ্রমিকরা। তাদের দাবি, বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়াই আদায় করছেন তারা। যা স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে ৫০ টাকা পর্যন্ত কম। এছাড়া মহাসড়কে চাঁদাবাজি বা কোনো হয়রানির শিকার হননি বলেও জানান তারা।
পরিবহন শ্রমিকরা আরও জানান, মহাসড়কে যানজটের কোনো ঘটনা নেই। ফলে বাসের শিডিউল বিপর্যয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও দাবি তাদের।
এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নদীপথে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। ছুটির প্রথম দিনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ভোরের আলো ফুটতেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘাটে আসতে শুরু করেন তারা। টিকিট সংগ্রহ থেকে শুরু করে লঞ্চে ওঠা—সবখানেই ছিল ব্যস্ততা আর উৎসবের আমেজ।
দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে একের পর এক লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলাচল করছে লঞ্চগুলো। স্বস্তির বিষয়, অন্যান্য সময়ের মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রা করতে পেরে খুশি যাত্রীরা।
নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ঘাটজুড়ে তৎপর রয়েছে নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সব মিলিয়ে কিছুটা ভিড় আর চাপ থাকলেও, নিরাপত্তা ও স্বস্তির মধ্যে দিয়েই নদীপথে ঈদযাত্রা শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ।
অপরদিকে, ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনেও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। উত্তরবঙ্গগামী প্রতিটি ট্রেনেই অতিরিক্ত যাত্রীচাপ রয়েছে। উত্তরবঙ্গের ট্রেনগুলো প্ল্যাটফর্মে ভিড়লেই নিজের কাঙ্ক্ষিত আসন পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন যাত্রীরা।
সকালের ট্রেনগুলোতে গাদাগাদি করেই যাত্রা করেছে মানুষ। যেন তীল ধারণের ঠাঁই নেই। ছাদেও চেপে বসেছেন অসংখ্য যাত্রী। তবে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলো ছিল তুলনামূলম ফাঁকা। তবে প্রতিটি ট্রেনেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা।
উত্তরবঙ্গের ট্রেন নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া মঙ্গলবার প্রতিটি ট্রেনই কমলাপুর স্টেশন থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে গেছে৷ শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় রেলপথের যাত্রীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
]]>
৪ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·