সোমবার (২৪ মার্চ) ভোর ৬টায় ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ধূমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে এবারের ঈদুল ফিতরের ট্রেনযাত্রা শুরু হয়েছে।
সকাল থেকে বেশ নির্বিঘ্নে রেল পথে ঢাকা ছেড়েছেন যাত্রীরা। এখনও পর্যন্ত ৪৩টির মধ্যে ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন ঢাকা ছেড়েছে।
এছাড়াও ঈদুল ফিতর পরবর্তী ফিরতি ট্রেনযাত্রা যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ৩ এপ্রিলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে আজ। এবারের প্লাটফর্ম এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় খুশি যাত্রীরা। যদিও ঈদের বাড়তি ট্রেনের সংখ্যা নিয়েও শঙ্কায় আছেন অনেকেই। এদিন বেশিরভাগই পরিবারের সদস্যদের বাড়ি পাঠাচ্ছেন কর্মজীবীরা।
সাধারণ যাত্রীদের ঈদ যাত্রা নির্বঘ্ন করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের নেয়া কর্মপরিকল্পনাগুলো তুলে ধরা হলো-
আজ যারা যাত্রা করবেন, তাদের অগ্রীম আসনের টিকিট গত ১৪ মার্চ বিক্রি করে রেলওয়ে। যথাক্রমে এই টিকিট বিক্রি চলেছে গত ২০ মার্চ পর্যন্ত।
কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়েছে— বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধে ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ এবং র্যাবের সহযোগিতায় সার্বক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন: এবারও ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ও ডাকাতির শঙ্কা
নাশকতা প্রতিরোধে চলন্ত ট্রেনে, স্টেশনে বা রেললাইনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে কর্মচারীদের কার্যক্রম আরও জোরদার। এছাড়া র্যাব, বিজিবি, স্থানীয় পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় নাশকতাকারীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।
টিকিটধারী যাত্রীদের ভ্রমণের সুবিধার্থে ঈদের আগে ২৬ মার্চ থেকে জয়দেবপুর স্টেশন থেকে ঢাকামুখী এবং ঢাকা স্টেশন থেকে জয়দেবপুরমুখী আন্তঃজোনাল আন্তঃনগর ট্রেনে কোনো টিকিট ইস্যু করা হবে না। জয়দেবপুরের পাশাপাশি বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ঢাকাগামী এবং ঢাকা স্টেশন হতে বিমানবন্দরগামী আন্তঃনগর ট্রেনে কোনো টিকিট ইস্যু করা হবে না। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে ঈদের ১০ দিন আগে এবং ঈদের পরের ১০ দিন পর্যন্ত ট্রেনে সেলুনকার সংযোজন করা হবে না।
এদিকে সড়ক পথের ঈদ যাত্রা শুরু হয়েছে আজ। তবে এখনও নেই যাত্রীচাপ। সকাল থেকেই রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে দেখা যায় প্রতিদিনকার নিয়মিত চিত্র।
যাত্রী অপেক্ষায় মহাখালী, গাবতলী বাস টার্মিনালের কাউন্টারগুলো। যে কয়জন যাত্রী আসছেন তাদের নিয়েই ছাড়তে হচ্ছে গাড়ি। ফাঁকা থাকছে বেশিরভাগ আসন। এরমধ্যে যারা যাচ্ছেন স্বাচ্ছন্দ্যে যাত্রা করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
আর পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লম্বা ছুটির কারণেই এবার যাত্রী খরা। তবে তাদের আশা দুই দিন পর থেকে কিছুটা বাড়তে পারে যাত্রীচাপ।
]]>