এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে রোববার ইলহাম আলিয়েভ বলেন, ‘দুর্ঘটনাবশত রাশিয়া বিমানটিকে গুলি করেছিল। এখানে কোনো ইচ্ছাকৃত সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কথা উঠছে না। অতএব দোষ স্বীকার করে যথাসময়ে আজারবাইজানের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং জনগণকে এ ব্যাপারে অবহিত করা উচিত ছিল।’
আরও পড়ুন: আজারবাইজানের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন পুতিন
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রও একই অভিযোগ করে বলেছে, ‘আজারবাইজান এয়ারের উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।’
গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ৬৭ আরোহী নিয়ে আজারবাইজানের বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৮ জন প্রাণ হারান। বিমানটি আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে রাশিয়ার চেচনিয়া অঞ্চলের রাজধানী গ্রোজনি যাচ্ছিল। বিমানটির বেশির ভাগ যাত্রী আজারবাইজানের। যাত্রীদের মধ্যে রাশিয়া, কাজাখস্তান ও কিরগিজিস্তানের নাগরিকও ছিলেন।
আরও পড়ুন: ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিমান ভূপাতিত: আজারবাইজানের দাবি নিয়ে যা বলল রাশিয়া
এ দিকে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গত শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ক্ষমা চেয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিন এক বিবৃতিতে বলেছে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে ভুলবশত যাত্রীবাহী ওই বিমানটি ভূপাতিত হয়। ওই সময়ে গ্রোজনি, মোজদোক ও ভ্লাদিকাভাকাজে ইউক্রেন ড্রোন হামলা করছিল। তবে এই বিবৃতিতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করা হয়েছে এমন সরাসরি স্বীকারোক্তি দেয়া হয়নি।
]]>