রাবিতে শিশির মনির ও ব্যারিস্টার ফুয়াদকে শিক্ষার্থীদের ‘লাল কার্ড’

৬ দিন আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির এবং এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে দাঁড়িয়ে এই অভিনব প্রতিবাদ জানায় তারা।

রাকসু (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) আয়োজিত ‘গণভোট’ বিষয়ক একটি সেমিনারে বিতর্কিত এই দুই ব্যক্তিকে অতিথি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও শিক্ষার্থীদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।


বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, রাকসুকে একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠন (শিবির) তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।


তারা বলেন, শিশির মনির আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন, যা ছাত্রসমাজের কাছে তাকে বিতর্কিত করেছে। অন্যদিকে, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে অস্বীকার করেছেন। এমন ব্যক্তিদের অরাজনৈতিক সংগঠন রাকসুর অনুষ্ঠানে অতিথি করা নিন্দনীয়।


শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড কর্মসূচি উপেক্ষা করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তবে তাদের বক্তব্যে ক্ষোভের আগুন আরও উসকে দেয়।


আরও পড়ুন: শুধু কোদাল কাঁধে নিলে মানুষ খুশি হবে না: শিশির মনির


ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ শিক্ষার্থীদের প্রতি আক্রমণাত্মক মন্তব্য করে বলেন, লাল কার্ড কাকে দেখাতে হবে সেই বুদ্ধি তরুণ বন্ধুদের এখনো হয়নি। যদি বুদ্ধি থাকে, তবে যারা সংবিধানের নামে দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে তাদের সংসদের সামনে গিয়ে লাল কার্ড দেখান। আর আপনারা যদি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হন, তবে রাকসুর অর্থায়নে আপনাদের সবাইকে পাবনায় (মানসিক হাসপাতাল) চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।


অন্যদিকে অ্যাডভোকেট শিশির মনির শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একাট্টা হতে পারলে 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়ন ছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা থাকবে না।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন