আল্লাহ বলেছেন,
তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।” (সুরা মুমিন : ৬০)। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে চায় না, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত হন।” (তিরমিজি : ৩৩১৯)। তবে রমজান মাসে এমন কিছু মুহূর্ত আছে, যখন আল্লাহ তায়ালা বান্দার দোয়া ফেরত দেন না। সে মুহূর্তগুলো হলো
রাতের শেষ তৃতীয়াংশ
রাতের শেষ তৃতীয়াংশ সাধারণত নিদ্রায় কেটে যায় । তবে রমজানে এ সময়ে আমরা সেহরির জন্য জাগি। এ সময়টা অত্যন্ত মূল্যবান। আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য শেষ রাতের ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও প্রার্থনার কোনো বিকল্প নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব, কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব, কে আমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৪৫)
ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত
ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত ইবাদত ও দোয়া কবুলের জন্য খুবই মূল্যবান। কেননা এ সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে তিনি খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। মহানবী (সা.) বলেন, তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না ১. ন্যায়পরায়ণ শাসক, ২. রোজাদার যখন ৩. সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২)
আরেক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, “আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক ইফতারের সময় অনেক জাহান্নামীকে মুক্ত করে থাকেন এবং এটা প্রতি রাতে করেন।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস ১৬৪৩) তাই ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে নিজের জন্য এবং সকল মুমিন মুসলমানের জন্য বেশি বেশি দোয়া ও ইসতিগফার করা উচিত।
ফজরের পর
রমজানে দোয়া কবুলের আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত হলো ফজরের পর। রমজানে অধিকাংশ মানুষ এই সময়ে ইবাদত ও দোয়ার ব্যাপারে উদাসীন থাকে। অথচ এটি দোয়া কবুলের অপূর্ব সুযোগ। হযরত আবু উমামা (রা.) বলেন, “একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) কে কোন সময় দ্রুত দোয়া কবুল হয় জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রাতের শেষ প্রহর এবং ফজরের পর।” (সুনানে তিরমিযি : ৩৪৯৮ )
লেখক: আলেম ও প্রাবন্ধিক
]]>
২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·