গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও, ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছেন নাসীরুদ্দীন।
জুলাই সনদের আলোকে গঠিতব্য ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হারের ভিত্তিতে সদস্য মনোনীত হবেন। এনসিপি এবার ৩০টি আসনে লড়াই করে মোট ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩১ ভোট সংগ্রহ করেছে, যা মোট সংগৃহীত ভোটের ৩.২১ শতাংশ। এই গাণিতিক হিসাবে উচ্চকক্ষে এনসিপির অন্তত ৩টি আসন পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দলীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, সেই সম্ভাব্য তিন সদস্যের তালিকায় সবার ওপরে জ্বলজ্বল করছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম। এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা গণমাধ্যমকে জানান, ‘উচ্চকক্ষে মনোনয়নের বিষয়ে জোট ও দলের ভেতরে আলাপ-আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে।’
আরও পড়ুন: ‘চান্দাবাজ’ নামে ওয়েবসাইট চালু করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
তবে নাসীরুদ্দীন কি শেষ পর্যন্ত উচ্চকক্ষেই থিতু হবেন? রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন আছে অন্য এক হিসাব নিয়ে। সামনেই ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। যদি তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে উচ্চকক্ষের সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।
এখন দেখার বিষয়, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী কি সংসদীয় উচ্চকক্ষ বেছে নিয়ে নীতিনির্ধারণী রাজনীতিতে যুক্ত হবেন, নাকি রাজপথের উত্তাপ নিয়ে নামবেন ঢাকার নগরপিতার লড়াইয়ে? উত্তর জানতে দেশবাসীকে আরও কিছুদিনের রাজনৈতিক নাটকের অপেক্ষা করতে হবে।

১ মাস আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·