আগামী ২৮ মার্চ থেকে পুনরায় আমদানি-রফতানিসহ বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম চালু হবে বলে জানা গেছে।
বন্দরের তথ্য বলছে, ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত থাকছে ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটি। পরবর্তীতে ২৪ ও ২৫ মার্চ বন্দর খুললেও আবার ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ও ২৭ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটিতে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এদিকে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে কিছু পণ্যজট তৈরি হয়েছে। সাধারণ সময়ে প্রতিদিন এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৬০০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রফতানি হয়ে থাকে। এছাড়া চিকিৎসা, ব্যবসাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন দুই হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করে। এতে বাণিজ্যখাতে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং ভ্রমণ খাতে প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: শুল্ক বৈষম্যে বেনাপোল ছেড়ে ভোমরা বন্দরে ব্যবসায়ীরা
বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দফতর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম বলেন, ‘১৭ মার্চ সকাল থেকে বন্ধ হয়ে গেছে বেনাপোল-পেট্রাপোলের মধ্যে আমদানি-রফতানি। কাস্টম ও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ বাড়িতে ঈদ করতে রওয়ানা দেবেন। তারপর সরকার ঈদের তিন দিন আগে পরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ রাখায় বন্দর থেকে কোনো পণ্য খালাসও হবে না। অনেক আমদানিকারক ঈদের ছুটিতে পরিবার পরিজন নিয়ে দেশের বাড়িতে যাবেন। তারা ঢাকা ফিরে না আসা পর্যন্ত কোনো পণ্যও খালাস নিবে না।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানিয়েছেন, ঈদের লম্বা ছুটিতে বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া জরুরি পণ্য খালাস সুবিধা থাকছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শাখাওয়াত হোসেন জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক থাকবে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত। এ সময় একটু বেশি ভিড় হয়ে থাকে। সে কারণে ইমিগ্রেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।

৪ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·