বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সবচেয়ে বড় হামলা বলে নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানায়, অন্তত তিনটি ড্রোন দূতাবাসের দিকে উড়ে যেতে দেখা গেছে। এর মধ্যে দুটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করে, তবে একটি ড্রোন দূতাবাস চত্বরে আঘাত হানে। এরপর সেখানে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।
আরও পড়ুন: ইরানের হামলা: আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করল আরব আমিরাত
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হামলার সময় বাগদাদে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলার বিষয়ে মন্তব্য জানতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ফোন করলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে রয়টার্স জানায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা শুরুর পর ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা ইরাকে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।
আরও পড়ুন: আল জাজিরার বিশ্লেষণ / ‘ধ্বংসস্তূপ’ থেকেও উড়ছে মিসাইল: ইরানের অন্তহীন ক্ষেপণাস্ত্রের রহস্য কী?
এর আগে সোমবার ইরানপন্থি গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ জানায়, তাদের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও মুখপাত্র নিহত হয়েছেন। একই সময়ে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) জানায়, সিরিয়া সীমান্তের কাছে ইরাকের আল-কায়েম শহরে বিমান হামলায় তাদের অন্তত আটজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
এদিকে হামলার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক মিশন তথা ‘গ্রিন জোন’ এলাকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

১৩ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·