শ্রীলঙ্কার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এবং এর ভূখণ্ড যাতে কোনো পক্ষকে সাহায্য বা বাধা দিতে পারে, এমন কোনো সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করতে অনুরোধটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে তিনি সংসদকে জানান।
মার্চ মাসে মার্কিন বাহিনী ভারত মহাসাগরের এই দেশটির উপকূলে একটি ইরানি ফ্রিগেটকে টর্পেডো দিয়ে আঘাত করলে দেশটি যুদ্ধের পরিণতির মধ্যে জড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:আফগানিস্তানে সামরিক হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা পাকিস্তানের!
‘তারা ৪ থেকে ৮ মার্চের মধ্যে জিবুতির একটি ঘাঁটি থেকে আটটি জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত দুটি যুদ্ধবিমান মাত্তালা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনতে চেয়েছিল, এবং আমরা ‘না’ বলে দিয়েছি।’ দিসানায়েকে বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ২৬ ফেব্রুয়ারি এই অনুরোধটি করেছিল। একই দিনে ইরানও ভারত থেকে নৌ-মহড়া শেষে ফেরার পথে তাদের তিনটি যুদ্ধজাহাজকে বন্দরে নোঙর করার জন্য অনুরূপ অনুরোধ জানায়।
‘আমরা ৯ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত তিনটি জাহাজ কলম্বোতে আনার ইরানি অনুরোধটি তখনও বিবেচনা করছিলাম। আমরা যদি ইরানকে হ্যাঁ বলতাম, তাহলে আমাদের যুক্তরাষ্ট্রকেও হ্যাঁ বলতে হতো।’ তিনি বলেন।
‘কিন্তু আমরা তা করিনি। আমরা আমাদের নিরপেক্ষতার অবস্থান দৃঢ়ভাবে বজায় রাখছি।’ এ কথা বলার সময় ২২৫ সদস্যের আইনসভায় করতালির সৃষ্টি হয়।
৪ মার্চ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটির দক্ষিণ উপকূলের কাছে ইরানের একটি জাহাজ, আইরিস দেনা-কে টর্পেডো দিয়ে আঘাত করে, এতে অন্তত ৮৪ জন নাবিক নিহত হন। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।
পরের দিন ইরানের দ্বিতীয় একটি জাহাজ, আইরিস বুশেহর-কে শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়, যদিও এর ২১৯ জন নাবিকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল, যারা এরপর থেকে কলম্বোতে আশ্রয় নিয়েছেন।
আরও পড়ুন:কিম জং উনের কিশোরী কন্যাকে এবার ট্যাঙ্ক চালাতে দেখা গেল
শ্রীলঙ্কা তার প্রধান রপ্তানি বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং শ্রীলঙ্কার চায়ের প্রধান ক্রেতা ইরান—উভয়ের সাথেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·