যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

২ সপ্তাহ আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করে যারা তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে, সেই দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে যাতায়াতের সুযোগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

সোমবার (৯ মার্চ) ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বরাত দিয়ে তেহরান টাইমস বলছে, আরব বা ইউরোপের যেকোনো দেশ যদি নিজেদের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে এবং দুই দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে, তবে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচলের ‘পূর্ণ অধিকার ও স্বাধীনতা’ পাবে।

 

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) থেকে এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে।

 

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরের বন্দরগুলোকে উন্মুক্ত সমুদ্রের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ। সম্প্রতি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত ঘিরে ইরানের সেনাবাহিনী সতর্ক করেছে, অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করলে সেটাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

 

আরও পড়ুন: ইরানে সবচেয়ে তীব্র হামলা হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

 

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট। মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। তাই এটি এখন বৈশ্বিক বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এক সংকটময় পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। মূলত দুটি কারণে দাম বেড়েছে—হরমুজ প্রণালি প্রায় অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সিবিএস নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার প্রশাসন হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার বিষয়টি ভাবছে।

 

ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট এই প্রণালি এখনো খোলা আছে, তবে এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার বিষয়টি হোয়াইট হাউস বিবেচনা করছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন