সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকদের গলায় গলায় বাজছে দেশাত্মবোধক গান। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে স্মৃতিসৌধকে সাজানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।
রাত পোহালেই ভোরের আলোয় লাখো মানুষের শ্রদ্ধায় ভরে উঠবে এই প্রাঙ্গণ। ত্যাগ আর গৌরবের এই স্মৃতিসৌধে দাঁড়িয়ে নতুন প্রজন্ম জানবে স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য, আর পুরোনো প্রজন্ম ফিরে যাবে সেই গৌরবময় স্মৃতির কাছে। শহীদদের স্মরণে জাতি আবারও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে, স্বাধীনতার মর্যাদা অটুট রাখার, এই লাল-সবুজের দেশকে হৃদয়ে ধারণ করার।
১৯৫২ থেকে ৭১, বাঙালি জাতির রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ধারক বাহক ৭ স্তম্ভ শুধুই কংক্রিট নয়, ত্যাগ-বেদনা আর অদম্য সাহসের একেকটি গল্প।
আরও পড়ুন: মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ র্যাবের
এদিকে, মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনে প্রস্তুত স্মৃতির প্রাঙ্গণ। রং-তুলির আঁচড় ও সুরভিত ফুলের গাছে দেয়া হয়েছে এক অনন্য রূপ।
কারিগররা জানান, স্মৃতির প্রাঙ্গণ সাজাতে ছুটিও কাটাতে পারেননি কারিগররা। তবু নেই অভিযোগ, কাজেই খুঁজে নিয়েছেন ঈদের আনন্দ।
জাতীর বীর সন্তানদের স্মরণ করে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। পরে খুলে দেয়া হবে সর্বসাধারণের জন্য।

৭ ঘন্টা আগে
২





Bengali (BD) ·
English (US) ·