মালয়েশিয়ায় জটমুক্ত হচ্ছে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের আবেদন

১ সপ্তাহে আগে
মালয়েশিয়া ডিজিটাল ইকোনমি কর্পোরেশন (এমডিইসি) জানিয়েছে, তারা দক্ষ বিদেশি কর্মী (ফরেন নলেজ ওয়ার্কার- এফকেডাব্লিউ) নিয়োগ প্রোগ্রামের জমে থাকা ৩,৬০০টির বেশি আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পরবর্তী ধাপে পাঠিয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) এমডিইসি এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ডিজিটাল মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা (যার কারণে অনেক কাজ হাতে করতে হচ্ছিল), জনবল স্বল্পতা এবং হঠাৎ করে আবেদন বেড়ে যাওয়ায় এই জট তৈরি হয়েছিল। একই কারণে ‘ডিই রানটাও নোমাড’ প্রোগ্রাম এবং মালয়েশিয়া টেক অন্ট্রাপ্রেনিয়ার প্রোগ্রাম (এমডিইপি)-এর ওপরও প্রভাব পড়ে।

 

এই জট কাটাতে এমডিইসি বেশ কিছু অস্থায়ী ব্যবস্থা নেয়, যেমন—কর্মীদের পুনর্বিন্যাস, কাজের ধাপ (ওয়ার্কফ্লো) নতুনভাবে সাজানো, অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ এবং অতিরিক্ত সরঞ্জাম যোগ করা, যাতে দ্রুত কাজ শেষ করা যায়। 

 

মন্ত্রণালয় বলেছে, এখন বাকি আবেদনগুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের মধ্যে পুরো কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

 

আরও পড়ুন: মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ

 

ভবিষ্যতে এমন সমস্যা এড়াতে নতুন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে এফকেডাব্লিউ, ডিই রানতাও নোমাড এবং এমডিইপি—এই তিনটি প্রোগ্রাম একসঙ্গে পরিচালনা করা হবে। এতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা (অটোমেশন) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হবে, যাতে হাতে কাজ করার প্রয়োজন কমে এবং কাজের গতি বাড়ে।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে এফকেডাব্লিউ মডিউল চালু হবে। এরপর ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের শেষে ডিই রানতাও নোমাড ও এমটিইপি যুক্ত করা হবে।

 

ভবিষ্যতে এমন দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে ডিজিটাল মন্ত্রণালয় একটি নতুন ও সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যুক্ত করা হবে, যা ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কর্মদক্ষতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এই উন্নত প্রযুক্তি চালুর ফলে আবেদন প্রক্রিয়াকরণ আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন: কুয়ালালামপুরে ঈদ উপলক্ষে বসছে তারকার মেলা ‘সোনালী সন্ধ্যা’

 

এফকেডাব্লিউ প্রোগ্রাম মূলত প্রযুক্তি ও ডিজিটাল খাতে বিদেশি পেশাজীবী নিয়োগ সহজ করতে পরিচালিত হয়। ডিই রানতাও নোমাড পাস বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় এসে কাজ করার সুযোগ দেয়। আর এমটিইপি প্রোগ্রামটি অভিজ্ঞ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য চালু করা হয়েছে। 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন